1. zakircomputerit@gmail.com : ZTV Online : ZTV Online
  2. admin@ztvonline.tv : ZTV Online : ZTV Online
চাষাঢ়ায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের ‘গোপন বৈঠকের’ অভিযোগে আটক - ZTV Online
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন

চাষাঢ়ায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের ‘গোপন বৈঠকের’ অভিযোগে আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • প্রকাশ: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় পলাতক আজমেরী ওসমানের অনুসারী যুবলীগের নেতা-কর্মীদের মিছিলের পরদিনই একটি রেস্তোরাঁয় গোপন বৈঠকের অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে চাষাঢ়ার ‘গ্র্যান্ড হল রেস্টুরেন্ট’ থেকে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান।

আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় প্রকাশ না করলেও তারা তিনজনই চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশের একটি সূত্র।

ওসি সাজেদুর বলেন, “তাদের মূলত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে আনা হয়েছে। তাদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। প্রাথমিক তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এর আগে জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত আজমেরী ওসমানের অনুসারী যুবলীগের কর্মী-সমর্থকরা বৃহস্পতিবার ভোরে শহরের চাষাঢ়ায় মিছিল করে। লাল কাপড়ে মুখ ঢেকে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানোর পর মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে নিষিদ্ধঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে স্লোগান দেন মিছিলকারীরা।

এ মিছিলের পরদিন শুক্রবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইসলামী ছাত্র শিবির, এনসিপি ও তাদের ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা-কর্মীরা চাষাঢ়ার একটি রেস্তোরাঁয় আওয়ামী লীগের ‘গোপন বৈঠক’ চলছে বলে স্ট্যাটাস দেন। এরপর ঘন্টাখানেকের মধ্যেই ‘গ্র্যান্ড হল রেস্টুরেন্ট’ নামে ওই রেস্তোরাঁয় অভিযান চালায় পুলিশ।

পরে সেখান থেকে কয়েকজনকে পুলিশের গাড়িতে তুলে থানার দিকে নিয়ে যেতে দেখেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি অমিত হাসান বলেন, “চাষাঢ়ায় মূলত চাঁদপুরের একটি সংগঠনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। তবে, এরমধ্যে নারায়ণগঞ্জের নেতাকর্মীরাও ছিল। চাঁদপুরের এক ভাইয়ের কিছু গ্রুপ ছিল, সেখান থেকেই আমাদের গতকাল (বৃহস্পতিবার) জানানো হয়েছে। পরে আমরা বিষয়টি প্রশাসনকে জানাই।”

“আজ জুমার নামাজের পর থেকেই আমাদের লোকজন বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় ঘোরাঘুরি করে বিকেল তিনটার দিকে আমরা একটি রেস্টুরেন্টে তাদের দেখতে পাই,” যোগ করেন ছাত্রশিবিরের ওই নেতা।

শুরুর দিকে জানালেও পুলিশ সেখানে যেতে দেরি করায় ‘বৈঠকে’ থাকা নেতাদের অনেকেই রেস্তোরাঁ থেকে সরে যেতে সক্ষম হন বলে দাবি অমিতের।

অন্তত ৪০ থেকে ৫০ নেতা-কর্মীর একটি দল রেস্তোরাঁয় বসবে বলে তথ্য ছিল জানিয়ে ওই ছাত্রনেতা আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজন আগেরদিনের মিছিলেও ছিলেন বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে।

যদিও পুলিশ এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেনি।

আরো খবর