রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংস হত্যার প্রতিবাদে এবং অপরাধীদের দ্রুত বিচারের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে জাতীয় শিশুকিশোর সংগঠন ‘ফুলকুঁড়ি আসর’। মানববন্ধন থেকে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠক, বিশিষ্ট শিশু সংগঠক, অভিভাবক এবং কয়েকশ শিশু-কিশোর ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে অংশ নেয়।
রাজধানীর পল্লবীতে ভাড়া বাসায় বাবা, মা ও বড় বোনের সঙ্গে থাকতো সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তার। দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করা এই শিশুটির ওপর ধর্ষণ ও হত্যার মতো পাশবিক কাজের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে। ধরা পড়ার পর সেই ব্যক্তি নিজেও স্বীকার করেছেন তার ঘৃণ্য অপরাধের কথা, যে কাজে সাহায্য করেছিলেন তার স্ত্রী!
হত্যার শিকার রামিসার মায়ের ভাষ্য, মেয়েকে যখন নির্যাতন করা হয় তখন তার চিৎকার শুনতে পান তিনি। কিন্তু কল্পনায়ও ভাবতে পারেননি তার নিজের মেয়েই চিৎকার করছে। যখন বুঝতে পারেন মেয়ে নিখোঁজ, তখন খোঁজাখুঁজি শুরু করলেও ততক্ষণেই ঘাতকের লালসার শিকার হয়ে জীবন হারিয়েছে শিশুটি।
রামিসার মা পারভিন আক্তার জাগো নিউজকে বলেন, চিৎকার শুনেছিলাম, কিন্তু আমার মেয়েই যে চিৎকার দিচ্ছিল সেটা বুঝতে পারিনি। আমি মনে করেছি ওর সঙ্গে (বড় বোন রাইসার) গেছে। এরপর দেখি ও (বড় মেয়ে) একা আসছে। তখনই আমি বুঝতে পেরেছি, খোঁজ শুরু করেছি। দরজা ধাক্কা দিয়েছি। সব ফ্ল্যাটের দরজা খুলছে, কিন্তু এই ঘরের দরজা খোলেনি।