হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জেরা পাওয়ার প্ল্যান্টের দগ্ধ ওই ১২ জন রোগীর মধ্যে এ পর্যন্ত কাওসার, আমির ও শংকরসহ ৩ জন মারা গেছেন। বাকিদের মধ্যে ৬ জনকে আগেই প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছুটি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ২ জন ভর্তি আছেন। এ ছাড়া নাজমুল নামে একজন নিজ দায়িত্বে ছুটি নিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা করাবেন বলে চলে গেছেন।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, নিহত কাওসারের শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে ছিল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি হাসপাতালের চিকিৎসাধীন ছিলেন।
কাওসারের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই দুর্ঘটনায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ জনে।
এর আগে গত শনিবার সকাল ১০টায় এই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আমির হোসেন (২৫) নামে আরেক কর্মী। তার শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল এবং তিনি আইসিইউতে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে ছিলেন। তারও আগে, দুর্ঘটনার পরদিন গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শংকর (২৫) নামে প্রথম এক কর্মীর মৃত্যু হয়।