রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন

জিমে না গিয়েও ফিট থাকা যায়, ক্যালিসথেনিক্সেই মিলবে ব্যায়ামের সুবিধা

নিজস্ব ডেস্ক
  • সর্বশেষ সময়: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩ কতবার পড়া হয়েছে:

ক্যালিসথেনিক্স এমন একটি ব্যায়ামপদ্ধতি, যেখানে নিজের শরীরের ওজনই প্রতিরোধ বা রেজিসট্যান্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ ডাম্বেল, বারবেল বা জিম মেশিন ছাড়াই শরীরের শক্তি, ভারসাম্য, নমনীয়তা এবং নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোই এর মূল উদ্দেশ্য।

ক্যালিসথেনিক্স এমন একটি ব্যায়ামপদ্ধতি, যেখানে নিজের শরীরের ওজনই প্রতিরোধ বা রেজিসট্যান্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ ডাম্বেল, বারবেল বা জিম মেশিন ছাড়াই শরীরের শক্তি, ভারসাম্য, নমনীয়তা এবং নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোই এর মূল উদ্দেশ্য।

কোন বয়সে শুরু করা যায়

৫-৭ বছর বয়স: আনুষ্ঠানিক ক্যালিসথেনিক্সের প্রয়োজন নেই। শিশুকে উৎসাহিত করুন— দৌড়ানো, লাফানো, গাছে বা বারে ঝুলে থাকা, খেলাধুলা হামাগুড়ি ও ক্লাইম্বিংয়ে। এসবই ক্যালিসথেনিক্সের ভিত্তি তৈরি করে।

৭-১২ বছর: এই বয়সে হালকা বডিওয়েট এক্সারসাইজ করা নিরাপদ। যেমন: ওয়াল পুশ আপ, স্কোয়াট, লানজেস, প্ল্যাংক, হ্যাংগিং, বিয়ার ক্রাউল।

১৩-১৮ বছর: প্রায় সব ধরনের বডিওয়েট স্ট্রেংথ ট্রেনিং শেখা যায়।

প্রাপ্তবয়স্ক: সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ক্যালিসথেনিক্স একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যায়াম পদ্ধতি।

কতক্ষণ করবেন

  • সপ্তাহে ২-৪ দিন স্ট্রেংথ ট্রেনিং যথেষ্ট।
  • প্রতিদিন ৩০-৬০ মিনিট সময় দিলেই ভালো ফল পাওয়া যায়।

একটি সেশনের আদর্শ কাঠামো

  • ৫-১০ মিনিট ওয়ার্ম আপ।
  • ২০-৪০ মিনিট মূল ব্যায়াম।

    কতক্ষণ করবেন

    • সপ্তাহে ২-৪ দিন স্ট্রেংথ ট্রেনিং যথেষ্ট।
    • প্রতিদিন ৩০-৬০ মিনিট সময় দিলেই ভালো ফল পাওয়া যায়।

    একটি সেশনের আদর্শ কাঠামো

    • ৫-১০ মিনিট ওয়ার্ম আপ।
    • ২০-৪০ মিনিট মূল ব্যায়াম।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত